top of page

রবীন্দ্রনাথের পাখিরা

  • Writer: ankurantareep1974
    ankurantareep1974
  • Apr 9, 2019
  • 1 min read

“ওরে পাখি,

থেকে থেকে ভুলিস কেন সুর,

যাস নে কেন ডাকি-

বানীহারা প্রভাব হয় যে বৃথা

জানিস নে তুই কি তা...”

আমাদের সব রকম আনন্দ-বেদনার টুকরো টুকরো অংশগুলো যিনি প্রকাশ করে গেছেন গভীর নান্দনিক সৌন্দর্যে, তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই প্রকাশতালিকা থেকে বাদ পড়েনি বাংলার পাখিরাও। পাখিরা খাঁচায় বন্দি নয় বরং তার স্থান খোলা আকাশ…

‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে উঠে আসে...

‘আমরা দুজন একটি গাঁয়ে থাকি, সেই আমাদের একটি মাত্র সুখ, তাদের গাছে গায় যে দোয়েল পাখি, তাহার গানে আমার নাচে বুক।’

ভালোবাসাময় আবেগের নিবিড়তম বন্ধন হয়ে এ কবিতাটি আজ কবিতাপ্রেমীদের মুখে মুখে। যতবার কবিতাপ্রেমীরা এ কবিতার চরণগুলো উচ্চারণ করেন ততবার দোয়েল পাখির নাম নেচে ওঠে তাঁদের ঠোঁটে ঠোঁটে। ভোরের দিকে দোয়েলের মিষ্টি সুর প্রাকৃতিক সতেজতা ছড়ায়।

একইভাবে ‘পূরবীতে’ ফুটে ওঠে...

‘বেশ আছি, এই বনে বনে যখন-তখন ফুল তুলি; নাম-না-জানা পাখি নাচে, শিস দিয়ে যায় বুলবুলি।’

শিশু কাব্যের অন্তর্গত পুরোনো বট কবিতায় তিনিই আবার বলেছেন...

‘তোমার তলে মধুর ছায়া, তোমার তলে ছুটি; তোমার তলে নাচত বসে, শালিক পাখি দুটি।’

খাপছাড়া-৮ এ চন্দনা পাখিকে নিয়ে দারুণ একটি কথোপকথনমূলক কাব্য রচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ।বনফুল নাটকে পাপিয়া পাখিকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন...

 ‘মাথার উপরে জড়ান মালা, নদীর উপরে রাখিয়া আঁখি; জাগিয়া উঠেছে নিশীথবালা জাগিয়া উঠেছে পাপিয়া পাখি!’

শিশু ভোলানাথ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত দুয়োরানী কবিতায় রবীন্দ্রনাথ পেঁচা সম্পর্কে  লিখেছেন— ‘তারপরে যেই অশত্থবনে; ডাকবে পেঁচা আমার মনে ।’

 
 
 

Comments


Post: Blog2_Post
  • Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn

©2019 by Alochonar Abosor. Proudly created with Wix.com

bottom of page